মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে স্বপ্নের মতো সময় পার করছেন কাভান সুলিভান। মাঠে দারুণ পারফর্ম করে একের পর এক গোল ও অ্যাসিস্ট উপহার দিচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ১৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার।
আর এই চোখধাঁধানো নৈপুণ্যের পুরস্কার হিসেবে খুব শিগগিরই প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে ডাক পেতে যাচ্ছেন ‘সুলিভান ব্রাদার্স’-এর সবচেয়ে ছোট এই সদস্য। সামনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ফিফা উইন্ডোতে চিলি, পেরু, মেক্সিকো ও কানাডার বিপক্ষে মাঠে নামবে যুক্তরাষ্ট্র। এই চার ম্যাচের দল ঘোষণা করবেন নতুন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। ইএসপিএনের সাংবাদিক জেফ কার্লাইল প্রথম নিশ্চিত করেন যে, পচেত্তিনোর ভাবনায় জোরালোভাবেই আছেন এই মিডফিল্ডার।
২০২৬ বিশ্বকাপ বিরতি শেষে এমএলএস মাঠে ফিরতেই দুর্দান্ত ফর্মে ফেরেন সুলিভান, এই সময়ে ফিলাডেলফিয়ার হয়ে ৬টি গোল করার পাশাপাশি ৮টি গোলে দারুণ সহায়তাও করেছেন তিনি। অবশ্য মাঠের নৈপুণ্যের পাশাপাশি কিছুদিন আগে একটু ভিন্ন কারণেই পচেত্তিনোর নজরে এসেছিলেন এই তরুণ। এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে সুলিভান দাবি করেছিলেন, সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে থাকলে দলকে আরও দূরে টেনে নিতে পারতেন তিনি। সেই মন্তব্য খুব একটা ভালোভাবে নেননি মার্কিন কোচ।

পচেত্তিনো তখন বলেছিলেন, ‘আমরা সবকিছুই দেখছি, সবকিছুর ওপরই নজর রাখছি। অবশ্যই আমরা প্রতিভাবান খেলোয়াড় চাই, যারা সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু এমন নয় যে, তারা এমন কিছু অনুভব করবে বা বলবে, যা তারা এখনা মাঠে দেখাতে পারেনি কিংবা অর্জন করেনি। আমার মনে হয়, কেবল মেসিই একটু সীমা ছাড়িয়ে কথা বলার অধিকার রাখে। আপনি যদি আটটি ব্যালন ডি’অর জিতে থাকেন, ঠিক আছে। তখন কিছুটা ঔদ্ধত্যের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’
তবে সেই মন্তব্য পেছনে ফেলে মাঠের খেলা দিয়েই আবার কোচের মন জয় করে নিয়েছেন সুলিভান। আসন্ন সূচিতে মাঠে নামার সুযোগ পেলে যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ জাতীয় দলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে অভিষেকে রেকর্ড গড়বেন তিনি। এর আগে ২০২৪ সালে ফিলাডেলফিয়ার জার্সিতে অভিষেক ঘটিয়ে উত্তর আমেরিকার যে কোনো বড় পেশাদার ক্রীড়া লিগের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছিলেন সুলিভান।
উল্লেখ্য, ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গেও সুলিভানের বিশেষ সমঝোতা রয়েছে, যেখানে ১৮ বছর বয়স হলেই সিটিতে যোগ দেওয়ার পথ খোলা থাকবে তার সামনে।
তথ্যসূত্র : ইএসপিএন

ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















